মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করা যেতে পারে কিভাবে? (রিয়েল উপায়)

মোবাইল দিয়ে টাকা আয়, বন্ধুরা আপনি কি জেনে নিতে চাইছেন মোবাইল ব্যাবহার করে কিভাবে অনলাইনে টাকা ইনকাম করে নেওয়া যেতে পারে। তবে বন্ধু এই আর্টিকেলে আপনার সাথে মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করার কিছু সেরা উপায় শেয়ার করব।

বর্তমান সময়ে মোটামুটি অধিকাংশ লোকের কাছে একটি মোবাইল রয়েছে। এবং তার মাঝে অনেকেই রয়েছে, বেকার, গৃহিণী, অথবা স্টুডেন্ট। এমন অবস্থায় যদি বাড়টি কিছু ইনকাম নিজের কাছে থাকা মোবাইল ব্যাবহার করে আয় করা যায় তবে তা অবশ্যই ভাল বিষয়।

তবে সমস্যা হচ্ছে, চাইলেই কিন্তু মোবাইল ব্যাবহার করে আপনি আয় করতে পারবেন না। কেননা আপনাকে প্রথমেই বুজতে হবে, কোন কিছুই খুব একটা সহজ নয়।

এবং অনলাইনে টাকা ইনকাম করা করা জিনিষ টা বড্ড বেশি কঠিন। ফলে আপনি যদি একটি সঠিক গাইডলাইন অনুসরন করে নিতে পারেন।

তবে আশা করা যেতে পারে, আপনি অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। তার জন্য আপনি মোবাইল ব্যাবহার করেন অথবা কম্পিউটার এটা আসলেই ম্যাটার করে নাহ।

তবে আমাদের এই আর্টিকেলে আমরা ফোকাস করব কিভাবে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করা যেতে পারে তা সম্পর্কে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলে আমরা আপনার সাথে মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করবার জন্য যে গাইডলাইন এর প্রয়োজন রয়েছে তা সম্পূর্ণ করবার চেষ্টা করব।

মোবাইল দিয়ে অনলাইনে টাকা আয় করা যেতে পারে কিভাবে রিয়েল উপায়
মোবাইল দিয়ে টাকা আয়

মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করার কিছু টিপস

আমি শুরুতেই যেমন বলেছি, অনলাইনে টাকা ইনকাম করাটা খুব একটা সহজ প্রক্রিয়া নয়। যদি আপনার কাছে পর্যাপ্ত স্কিল থাকে, তবে তখন তা খুবই সহজ হতে পারে।

এবং যখন কথা হচ্ছে মোবাইল দিয়ে অনলাইনে আয় করবার। তখন স্বাভাবিক ভাবেই এই প্রক্রিয়া টা আরও কঠিন হবে, তা আশা করি বুজতেই পারবেন।

অতএব মোবাইল দিয়ে আসলেই আয় করা সম্ভব। তবে তা প্রচুর দ্রুততার সাথে অবশ্যই নয়। আমাদের এই আর্টিকেলে লিপিবদ্ধ করা সকল নির্দেশক যদি আপনি ঠিক ভাবে অনুসরন করতে পারেন।

তবে ধরে নিতে পারেন, আপনি অবশ্যই মোবাইল ব্যাবহার করে আয় করতে পারবেন।

ব্লগিং করে মোবাইলে দিয়ে টাকা ইনকাম

বর্তমান সময়ে ব্লগিং হচ্ছে এমন একটি ক্যারিয়ার গড়ে নেওয়ার মাধ্যম, যার থেকে আপনি ভাল রকম টাকা ইনকাম করে নিতে পারবেন।

পাশাপাশি আপনি নিজের ক্যারিয়ারেও সফল হয়ে উঠতে পারবেন। তবে আমরা যেমন আর্টিকেলের শুরুতেই বলেছি, আমরা আপনাকে সঠিক গাইডলাইন দেওয়ার চেষ্টা করব।

অতএব মোবাইল দিয়ে ব্লগিং করে টাকা ইনকাম করবার জন্য আপনার আরও কিছু বেশি বিষয় সম্পর্কে জেনে নিতে হবে।

শুরুতেই আপনি প্রশ্ন করতে পারেন? ভাই আসলেই কি মোবাইল দিয়ে ব্লগিং করে টাকা আয় করতে পারব।

ওয়েল উত্তর খুবই সহজ, হ্যাঁ অবশ্যই পারবেন।

তবে মনে রাখবেন বর্তমান সময়ে ব্লগিং ফিল্ডে বড্ড বেশি কম্পিটিশন, তাই জন্য আপনাকে এমন ভাবে কিছু করতে হবে যা দ্বারা লোকেরা উপক্রিত হতে পারে।

তবেই আপনি ব্লগিং করবার মাধ্যমে সফল হতে পারবেন।

উলেক্ষ, আপনার অবশ্যই জেনে রাখা উচিৎ ব্লগিং করতে চাইলে আপনাকে শুরুতেই কিছু টাকা খরচ করতে হবে ডোমেইন এবং হোস্টিং নেওয়ার জন্য।

তবে আপনি চাইলে গুগল দ্বারা নির্মিত ফ্রি ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম Blogger.com দিয়ে ব্যাবহার করে ব্লগিং শুরু করতে পারেন।

এখন আপনি প্রশ্ন করতে পারেন।

আমি ব্লগিং থেকে কি, কি মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে পারব?

উত্তর, গুগল এডসেন্স ব্লগে যুক্ত করে, এফিলিয়েট মার্কেটিং করে, এবং বিভিন্ন স্পন্সর দ্বারা ব্লগিং এর মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারবেন।

মোবাইল দিয়ে ব্লগিং করা কতটা সহজ?

ব্লগিং জিনিষ টা মোবাইল এবং কম্পিউটারের উপর নির্ভরশীল নয়। আপনার লেখা কনটেন্ট গুলো কেমন ও উক্ত কনটেন্ট কতটা সঠিক ইনফরমেশন দ্বারা সম্পূর্ণ এতাই আসল ব্যাপার।

তবে বন্ধু এখন আশা করছি, মোবাইল দিয়ে ব্লগিং করে টাকা ইনকাম করার বিষয়ে আপনি বেশ ভাল ধারনা পেয়েছেন।

ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম

আপনি অবশ্যই জেনে থাকবেন, বর্তমান সময়ে ইউটিউব কতটা জনপ্রিয় একটি ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম। বা এভাবেই বলা চলে বর্তমান সময়ের দ্বিতীয় সেরা সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে ইউটিউব।

অতএব এখানে কোন কিছু সার্চ করা বা query করা লোকের সংখ্যা প্রচুর। তার বিপরীতে আপনি যদি এই প্ল্যাটফর্ম ব্যাবহার করে একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে, উক্ত ইউটিউব চ্যানেলে ভাল relevancy কনটেন্ট তৈরি করতে পারেন।

তখন উক্ত ইউটিউব চ্যানেল grow করতে আপনার খুব বেশি বেগ পেতে হবে।

সাধারণ ভাবে দেখলে মনে হয় ইউটিউবে, হয়তবা ভাল কম্পিউটার, ভাল ক্যামেরা একই সাথে ভাল সেটাপ না থাকলে ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করা সম্ভব নয়।

তবে আমি আপনাকে জানিয়ে রাখি, এটা আসলেই বেশ বড় রকম ভুল ধারনা।

কেননা বর্তমানে এমন অনেক ইউটিউবার রয়েছেন যারা তাদের ইউটিউব চ্যানেলের জন্য জন্য ভিডিও তৈরি করছে মোবাইল ফোন ব্যাবহার করে, ও উক্ত ভিডিও ইডিট করা হচ্ছে মোবাইল থেকে এবং কাঙ্খিত ইউটিউব চ্যানেল টি ম্যানেজ করা হচ্ছেও মোবাইল দিয়ে।

অতএব বুজতেই পারছেন মোবাইল ব্যাবহার করে একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে, উক্ত ইউটিউব চ্যানেল হতে টাকা ইনকাম করা যেতে পারে।

তবে আপনি কিছু প্রশ্ন করতে পারেন যেমন?

মোবাইল দিয়ে ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করার উপায় কি?

উত্তর টা খুবই সহজ, কম্পিউটার ব্যাবহার করে যে পদ্ধতি অনুসরণ করে ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে হয়। মোবাইল দিয়ে ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করার প্রক্রিয়া ও একই।

ইউটিউব থেকে কি উপায়ে টাকা ইনকাম করতে পারবেন?

আপনার তৈরিক্রিত ভিডিও গুগল এডসেন্স দ্বারা মনিটাইজ করবার মাধ্যমে, এবং এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে।

মোবাইল দিয়ে ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে কি প্রয়োজন?

শুধু একটি স্মার্টফোন, যার ক্যামেরা মোটামুটি ভাল। এবং সব থেকে বেশি প্রয়োজন আপনার তৈরিক্রিত কনটেন্ট এর relevancy যা কতটা লোকেদের কাজে দিচ্ছে।

যদি আপনার কাছে পর্যাপ্ত জ্ঞান থাকে, এবং তা আপনি অন্যদের সাথে ভাগাভাগি করে তার দ্বারা অনলাইনে ইনকাম করতে চান। তবে ইউটিউব চ্যানেল খুলে উক্ত চ্যানেলে নিজের জ্ঞান সবার সাথে ভাগ করে নেওয়ার এটি সেরা মাধ্যম হতে পারে।

ফ্রিল্যান্সিং করে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম

ফ্রিল্যান্সিং অর্থাৎ অনেকেই রয়েছে তারা মনে করেন, এই কাজ টী করবার জন্য আপনার অনেক বেশি স্কিল থাকার প্রয়োজন রয়েছে। হ্যাঁ এটি শতভাগ সত্য।

তবে আপনি জেনে রাখুন ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে এমন অনেক কাজ রয়েছে যা কিছু স্কিল না থাকা সর্তেও আপনি করে নিতে পারবেন।

এবং হ্যাঁ তা মোবাইল দ্বারাও করা যেতে পারে।

তবে তার মানে এমন ও নয়, আপনার কাছে মোবাইল রয়েছে অতএব আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন।

আপনার ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্রেস গুলো সম্পর্কে নুন্নতম জ্ঞান অবশ্যই থাকতে হবে, যেমন ফ্রিল্যান্সিং ফিল্ডে এমন কি কি কাজ রয়েছে যা আপনি কোন স্কিল না থাকা সর্তেও করতে পারবেন।

বা এমন ভাবে বলা চলে, ফ্রিল্যান্সিং এ এমন কি কাজ রয়েছে যা আপনি মোবাইল দ্বারা করতে পারবেন?

আমি জানি মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং এটা শুনতে বেশ হাসি পেতে পারে। তবে আপনাকে একটু জানিয়ে রাখি যদি আপনার কাছে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট গুলো সম্পর্কে কিছু জ্ঞান রয়েছে।

তবে আপনি উক্ত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে মোবাইল দিয়েও টাকা ইনকাম করতে পারবেন, এবং সেটিও ফ্রিল্যান্সিং করে।

এখন আপনি আমাকে এই প্রশ্ন গুলো করতে পারেন

মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করে আমি কি কাজ পেতে পারি।

কনটেন্ট রাইটিং, ট্রানস্ক্রিপশন, কনটেন্ট রি-রাইটিং, ব্লগ কমেন্টিং, ফোরাম পোস্টিং, সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার, ট্রানস্ক্রিপশন, লোগো ডিজাইন সহ আরও অনেক কাজ রয়েছে যা আপনি করতে পারেন।

মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করাটা কি সহজ?

উত্তর না, মোবাইল কেন আপনার কাছে খুব ভাল কম্পিউটার থাকা সর্তেও আপনার কাছে যদি কিছু জ্ঞান না থাকে, ও উক্ত জ্ঞান কিভাবে ব্যাবহার করতে হয় তা না জানা থাকে তবে ফ্রিল্যান্সিং জিনিষ টা খুবই কঠিন।

মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করে কত টাকা ইনকাম করতে পারবেন?

ওয়েল, এটা আপনি কি ধরেনের ফ্রিল্যান্সিং কাজ করছেন তার উপর নির্ভর করছে। যদি আপনি এমন ফ্রিল্যান্সিং কাজ করছেন যার চাহিদা প্রচুর, তবে আপনি মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করে বেশ ভাল টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

আমি আবারও বলছি, ফ্রিল্যান্সিং জিনিষ টা মোটেও সহজ কিছু নয়। চাইলেই কেউ মুহূর্তেই মাঝে ফ্রিল্যান্সার হয়ে যেতে পারে না।

সহজ ভাবে বললে ফ্রিল্যান্সিং জিনিষ টা আসলে এমন, এখানে আপনি যতটা বেশি পারদর্শী হয়ে নিজের কাজ করবার ধরন সহজ করে তুলতে পারবেন, আপনি তততা বেশি ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারের দিকে ভাল করতে থাকবেন।

ভিডিও ও ছবি বিক্রি করে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম

বর্তমানে আমাদের কাছে থাকা প্রতিটা স্মার্টফোনই যথেষ্ট পাওয়ারফুল ও উক্ত মোবাইল গুলোতে বেশ ভাল রকম পাওয়ারফুল ক্যামেরা সেটআপ ও থাকে।

চাইলেই কিন্তু আপনি নিজের স্মার্টফোন ব্যাবহার করে দারুন দারুন ছবি বা ভিডিও তুলতে পারেন। ও উক্ত ভিডিও বা ছবি বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে বিক্রি করে তার থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

তবে মোবাইল দিয়ে অনলাইনে ইনকাম করবার এই প্রক্রিয়াও শুনতে jজযতটা সহজ মনে হচ্ছে, বাস্তবিক অর্থে কিন্তু এমন টা নয়।

আপনাকে মোবাইল ফটোগ্রাফি ঠিক ভাবে আয়ত্ত করে নিতে হবে, একই সাথে চেষ্টা করতে হবে নিজের মোবাইল দ্বারা ধারন ক্রিত ভিডিও বা ছবি ব্যতিক্রমধর্মী ভাবে উপস্থাপন করার।

কেবল তবেই আপনি মোবাইল দিয়ে ছবি বা ভিডিও দ্বারা ইনকাম করতে পারবেন।

একই সাথে আপনার স্মার্টফোন দ্বারা তোলা ভিডিও ও ছবি সুন্দর করে এডিট করে নেওয়ার বিষয়েও জ্ঞান রাখতে হবে।

কেননা একটি ছবি বা ভিডিও এডিট করে নেওয়ার মাধ্যমে তা আরও নেক্সট লেভেলে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। কাজেই আপনার এটা সম্পর্কেও বেশ ধারনা রাখতে হবে।

এখন আপনি এই প্রশ্ন গুলো করতে পারেন

মোবাইল ফটোগ্রাফি বিক্রির সেরা ওয়েবসাইট গুলো কি?

মোবাইল ফটোগ্রাফি বিক্রি করে কত টাকা আয় করতে পারব?

এটা নির্ভর করছে আপনার ফটোগ্রাফি আপনি কোন মার্কেটপ্লেস গুলোতে গিয়ে বিক্রি করছেন ও আপনার ফটোগ্রাফি কতবার এবং কোন কান্ট্রি থেকে ডাউনলোড করা হচ্ছে তার উপর।

তবে আশা করছি ছবি বা ভিডিও দ্বারা মোবাইল দিয়ে ইনকাম কিভাবে করা যেতে পারে, তা সম্পর্কে আপনি একটি ধারনা পেয়েছেন।

রিসেলিং ব্যবসা করে মোবাইল দিয়ে ইনকাম

মোবাইল দিয়ে অনলাইনে ইনকাম করার আমার মতে এটি একটি সেরা মাধ্যম হতে পারে। তবে এই জিনিষ টি করতে হলে আপনার মার্কেটিং সম্পর্কে বিস্তর জ্ঞান থাকা অবশ্যক।

কেননা যদি আপনি মার্কেটিং সম্পর্কে ঠিক ভাবে না জেনে থাকেন, তবে কিভাবে আপনি আপনার পণ্য গুলো অন্যদের কাছে পৌঁছে দিতে পারবেন।

আর আপনি যত বেশি আপনার পণ্য অন্যদের মাঝে পৌঁছে দিতে পারবেন, আপনার সেল তত বেশি ব্রিধি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।

এখন আসি, রিসেলিং ব্যবসা জিনিষ টা কি তা সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

ধরে নিন, আপনি একটা ওয়েব হোস্টিং সাইট হতে ১০ টি রিসেলিং হোস্টিং অ্যাকাউন্ট কিনেছেন ১০০ টাকা করে।

এখন আপনি নিজের মার্কেটিং দক্ষতার গুনে এই ১০ টী রিসেলিং হোস্টিং অ্যাকাউন্ট ১৫০ টাকা করে বিক্রি করলেন।

অতএব এখানে আপনার লাভ কত হচ্ছে ৫০০ টাকা।

আপনি ১০০০ টাকা খরচ করে ১০ অ্যাকাউন্ট কিনলেন ও উক্ত ১০ টি হোস্টিং অ্যাকাউন্ট মার্কেটিং করে আপনি ১৫০ টাকা করে প্রতিটা অ্যাকাউন্ট বিক্রি করলেন, ফলাফল ৫০০ টাকা লাভ।

তবে আমি শুরুতেই যেমন বলেছি এটা শুনতে যতটা বেশি সহজ মনে হচ্ছে আসলেই কিন্তু এমন টা নয়। আপনাকে ঠিক ভাবে সব কিছু যাচাই করে দেখতে হবে ও বুজতে হবে যাতে করে আপনি এমন প্রোডাক্ট কিনবেন যার থেকে লস হবার সম্ভাবনা থাকবেনা।

এখন আপনি যে প্রশ্ন গুলো করতে পারেন।

আমি কি রিসেলিং ব্যবসা করতে পারব?

এটা আসলে আপনাকেই বুজতে হবে, যদি আপনার মনে হয় আপনি ভাল ভাবে মার্কেটিং করতে পারেন ও কোন কিছু মার্কেটিং করে তা পরবর্তীতে রিসেলিং করতে পারবেন। তবে অবশ্যই আপনি রিসেলিং ব্যবসা করতে পারবেন।

রিসেলিং ব্যবসা করে বেশ ভাল টাকা ইনকাম করে নেওয়া সম্ভব। তবে মনে রাখবেন এই কাজ টি খুব একটা সহজ নয়। আমাদের পরামর্শ থাকে পূর্বে মার্কেটিং সম্পর্কে ভাবে করে অভিজ্ঞ হয়ে তারপর রিসেলিং ব্যবসা শুরু করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

ফেচবুক ভিডিও মনিটাইজেশন দ্বারা মোবাইল দিয়ে ইনকাম

বর্তমানে আপনি জেনে থাকবেন ফেচবুক কতটা বেশি জনপ্রিয়। এই সোশ্যাল মিডিয়া তে জনপ্রিয় হতে খুব একটা বেশি সময়ের ও দরকার হয়না।

ফেচবুক ও ইউটিউব এর মত তাদের প্ল্যাটফর্মে ভিডিও নির্মাতাদের জন্য মনিটাইজেশন সুভিধা করে দিয়েছে।

যদি আপনার কাছে ভাল কনটেন্ট থাকে বা আপনি ফেচবুক পেজ ব্যাবহার করে ভাল ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করতে পারেন তবে অবশ্যই আপনি এই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

এবং আপনি চাইলে ইউটিউব এবং ফেচবুকে আপনার তৈরিকৃত একই ভিডিও আপলোড করতে পারবেন ও দুই প্ল্যাটফর্ম থেকে ইনকাম করতে পারবেন।

এখন আপনি আমাকে এই প্রশ্ন গুলো করতে পারেন

ফেচবুক পেজ মনিটাইজেশন শর্ত গুলো কি?

অবশ্যই আপনার পেজে ১০ হাজার ফলোয়ার থাকতে হবে। বিগত ৬০ দিন অর্থাৎ দুই মাসের মধ্য ৬০০,০০০ মিনিট ওয়াচ টাইম থাকতে হবে। কম করে হলেই ৫ টি ভিডিও ফেচবুক পেজে থাকতে হবে।

ফেচবুক পেজ থেকে ইনকাম করার কি, কি মডেল রয়েছে?

ব্র‍্যান্ডেড কনটেন্ট, সাবস্ক্রিপশন গ্রুপ, ইন-স্ট্রিম এড, ফ্যান সাবস্ক্রিপশন ইত্যাদি।

আমাদের মতে ফেচবুক থেকে মোবাইল দিয়ে ইনকাম করার বিষয় টা বেশ ভাল হতে পারে আপনার জন্য।

ই-কমার্স ব্যবসা দ্বারা মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম

বর্তমানে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যাবহার করে অনেকেই তাদের ই-কমার্স ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এবং আপনি জেনে রাখুন এটি একটি অতান্ত ভাল উপায় মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করে নেওয়ার।

যদি এমন হয় সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনার কিছু ফলোয়ার রয়েছে, তবে তা আপনার জন্য এক সুবর্ণ সুযোগ ই-কমার্স ব্যবসা শুরু করবার।

স্বাভাবিক ভাবেই অনেকে মনে করে থাকেন যে ই-কমার্স ব্যবসা শুরু করতে চাইলে অবশ্যই একটি ওয়েবসাইট থাকা প্রয়োজন।

হ্যাঁ এটা ঠিক। তবে আপনি এটাও জেনে রাখুন, আপনি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যাবহার করে খুব সহজেই ই-কমার্স ব্যবসা করতে পারবেন।

যেমন, আপনি নিজের ফেচবুক পেজ অথবা গ্রুপ তৈরি করে উক্ত পেজ থেকে বিভিন্ন মোবাইল গ্যাজেট, সহ নিত্ত প্রয়োজনীয় প্রোডাক্ট রিভিউ করতে পারেন একই সাথে তা বিক্রি করতে পারেন।

এবং এই কাজ গুলো আপনি সাধারনত আপনার স্মার্টফোন ব্যাবহার করেই খুব সহজে তা করে নিতে পারবেন।

উলেক্ষ; তবে এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া সঠিক ভাবে করবার জন্য আপনার অবশ্যই কিছু ইনভেস্ট করবার প্রয়োজন পড়বে, কেননা যখন আপনি কোন প্রোডাক্ট আপনার সোশ্যাল মিডিয়া পেজ থেকে সেল করতে চাইবেন।

অবশ্যই তখন উক্ত প্রোডাক্ট আপনার কাছে থাকা চাই, কেবল তবেই আপনি তা কাঙ্খিত কাস্টমার এর কাছে সেল দিতে পারবেন।

এখন আপনি আমাকে যে প্রশ্ন গুলো করতে পারবেন

আমি কি ই কমার্স ব্যবসা শুরু করতে পারব।

হ্যাঁ অবশ্যই পারবেন, তবে আপনার জেনে রাখা প্রয়োজন অনলাইনে কোন কাজই সহজ নয়। অতএব পূর্বে আপনার ই-কমার্স ব্যবসা সম্পর্কে ঠিক ভাবে জ্ঞান না থাকে শুরুতে তা সম্পর্কে জেনে নিতে হবে।

আমি ই-কমার্স ব্যবসা করে কত টাকা আয় করতে পারব?

এটা নির্ভর করছে আপনার ই-কমার্স ব্যবসা করবার মডেলের উপর, আপনার ব্যবসা করবার মডেল যদি ব্যতিক্রমধর্মী ও গ্রাহকদের সেরা সার্ভিস দিতে সক্ষম হয়। তবে অবশ্যই ই-কমার্স ব্যবসা দ্বারা অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

বর্তমানে ই-কমার্স ব্যবসা করে টাকা ইনকাম করবার অনেক ভাল সুযোগ রয়েছে। তাই জন্য আপনি যদি সঠিক ভাবে ই-কমার্স ব্যবসা শুরু করতে পারেন, তবে অবশ্যই ইনকাম করতে পারবেন।

ইন্সটাগ্রাম দ্বারা মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম

অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ার মত ইন্সটাগ্রাম ও বর্তমানে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে রয়েছে। এই এই সোশ্যাল সাইট থেকেই চাইলে মোবাইল ব্যাবহার করে টাকা ইনকাম করে নিতে পারবেন।

তবে অবশ্যই মনে রাখতে হবে, এই প্ল্যাটফর্ম ব্যাবহার করে টাকা ইনকাম করতে চাইলে আপনাকে বিশেষ কিছু বিষয়ের উপর ভাল করে নজর রাখতে হবে।

উলেক্ষ,

  • একটি সেরা আকর্ষণীয় ইন্সটাগ্রম প্রোফাইল বায়ো তৈরি
  • নির্দিষ্ট টপিক নির্বাচন করা
  • মানসম্মত পোস্ট করা ও পোস্টের relevancy ঠিক রাখা
  • নিজের ফলোয়ার দের সাথে ঠিক ভাবে এনগেজ থাকা

নিজের ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে ইনকাম করা বিষয় টা খুব একটা কঠিন কিছু নয়। এবং আপনি জেনে রাখুন ইন্সটাগ্রামে কিন্তু এখন কনটেন্ট এর প্রচুর চাহিদা রয়েছে।

আপনি যদি ইন্সটাগ্রামে ঠিক ভাবে কনটেন্ট তৈরি করতে পারেন, তবে এই প্ল্যাটফর্ম থেকে ভাল টাকা ইনকাম করে নিতে পারবেন।

এবং আপনি এটাও জেনে রাখুন ইন্সটাগ্রাম থেকে ইনকাম করবার ও বেশ কিছু মডেল রয়েছে।

যেমন,

  • অন্যর অ্যাকাউন্ট প্রমোট করে দেওয়ার মাধ্যমে টাকা ইনকাম
  • এফিলিয়েট মার্কেটিং করে টাকা ইনকাম
  • স্পন্সরড পোস্ট দ্বারা টাকা ইনকাম
  • নিজের প্রোডাক্ট বিক্রি করে টাকা ইনকাম

তবে আপনাকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে ইন্সটাগ্রাম থেকে টাকা ইনকাম করবার জন্য আপনার কাছে পর্যাপ্ত ফলোয়ার থাকতে হবে।

সহজ ভাবে বললে আপনাকে ইন্সটাগ্রামে বিখ্যাত হতে হবে। কেবল তখনই ইন্সটাগ্রাম দ্বারা টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

মাইক্রোওয়ার্ক ওয়েবসাইট দ্বারা মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম

বর্তমানে ইন্টারনেটে কাজের আসলেই কোন কমতি নেই। তবে সঠিক জ্ঞান না থাকার জন্য অনেকেই অনলাইন থেকে আয় করতে পারেন নাহ।

এই যেমন, অনলাইনে বিভিন্ন পোস্ট শেয়ার করা, ভিডিও দেখা ও উক্ত ভিডিও শেয়ার করা, কমেন্ট করা, বিভিন্ন অ্যাপ নিজের ডিভাইসে ইন্সটাল করা ও তার রিভিউ করা ইত্যাদি।

উপরে বর্ণীত এমন অনেক কাজ রয়েছে যা আপনি মোবাইল ব্যাবহার করে কিছু টাকা ইনকাম করে নিতে পারবেন এবং উক্ত কাজের নামই হচ্ছে মাইক্রোওয়ার্ক।

তবে আপনাকে মাইক্রোওয়ার্ক কাজ করবার পূর্বে সঠিক ভাবে জ্ঞান রাখতে হবে এই কাজের জন্য আদর্শ সাইট কি বা কোনটি।

কেননা এখন এমন অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যা স্প্যাম করে, অর্থাৎ আপনার দ্বারা কাজ করিয়ে নেওয়া হচ্ছে তবে আপনার পেমেন্ট পাওয়ার বিষয়ে যথেষ্ট সন্দেহ থাকবে।

কিছু সেরা মাইক্রোওয়ার্ক ওয়েবসাইট

এবং এর বাইরেও আরও কিছু মাইক্রোওয়ার্ক সাইট রয়েছে, যে সাইট গুলো ব্যাবহারের মাধ্যমে নিজের জন্য সঠিক কাজ নির্বাচন করে নিয়ে উক্ত কাজ করে দেওয়ার মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

বিভিন্ন অ্যাপস দ্বারা মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম

যদিও আমি নিজে এই পদ্ধতি অনুসরন করে টাকা ইনকাম করবার একদমেই পরামর্শ করব নাহ। কেননা এই কাজের আসলেই কোন মানে নেই, আজ এখন এই আছে একটু পরে তা নাও থাকতে পারে।

এ ছাড়াও এটি কোন ভাবে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করবার স্থায়ী সমাধান হতে পারে নাহ।

এবং মোবাইল অ্যাপস দ্বারা টাকা ইনকাম জিনিষ টা শুনতে খুব Fancy লাগলেও বাস্তবিক অর্থ একদমই আলাদা।

তবে আমরা চেষ্টা করেছি , সেরা কিছু অ্যাপস আপনাদের সাথে এই আর্টিকেলে শেয়ার করবার যা ব্যাবহারের মাধ্যমে আপনি কিছু টাকা ইনকাম করে নিতে পারবেন।

Poll Pay: এই অ্যাপস টি মুলত বিভিন্ন বিষয়ের উপর সার্ভে করে থাকে বা ইউজারদের মতামত প্রদানের উপর নির্ভর করে ক্রেডিট দিয়ে থাকে। তবে একটা বিষয় এই অ্যাপস দ্বারা অর্জনক্রিত ক্রেডিট আপনি সরাসরি তুলতে পারবেন না।

আপনি এই অ্যাপস দ্বারা অর্জনক্রিত ক্রেডিট গুলো নেটফ্লিক্স, গুগল প্লে, অ্যামাজন ও এক্সবক্স এর গিফট কার্ড মাধ্যমে ব্যাবহার করতে পারবেন।

Pocket money:

এই অ্যাপস টি বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়। এই অ্যাপস টি মুলত বিভিন্ন গেম খেলা থেকে শুরু করে, অনলাইনে সার্ভে এবং বিভিন্ন কন্টেস্টে অংশগ্রহণ করবার মাধ্যমে টাকা ইনকাম করবার সুযোগ দিয়ে থাকে।

এবং রয়েছে এই অ্যাপস টি অন্যদের সাথে রেফার করে বেশ ভাল টাকা ইনকাম করে নেওয়ার মত সুভিধা। এই অ্যাপস দ্বারা উপার্জন করা টাকা আপনি চাইলে তুলতে পারবেন ও মোবাইল রিচার্জ করে নিতে পারবেন।

Bottom Line

বর্তমানে অনলাইনে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করতে অনেকেই ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তবে তা বেশির ভাগ সময়ই সঠিক ভাবে কাজে দেয় না।

তাই জন্যই আমরা এই বিস্তারিত আর্টিকেল লিখে কিভাবে মোবাইল দ্বারা টাকা ইনকাম করা যায় তা সম্পর্কে গাইডলাইন দেওয়ার চেষ্টা করেছি।

আশা করি, আপনি নতুন অনেক কিছু জানতে পেরেছেন ও শিখতে পেরেছেন।

এবং সম্পূর্ণ আর্টিকেল টি যদি আপনার ভাল লেগে থাকে তবে অবশ্যই সোশ্যাল মিডিয়ায় সকলের সাথে শেয়ার করুণ।

ও এই আর্টিকেল নিয়ে আপনার কিছু মতামত বা প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ট করে তা জানাতে পারেন।

Hi, i'm Akash Golder, Author & founder of DotBangla. A blog that provides authentic information regarding technology, blogging, SEO, online earn money, how to guide & much more.

4 thoughts on “মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করা যেতে পারে কিভাবে? (রিয়েল উপায়)”

  1. ধন্যবাদ!
    আপনার পোস্ট এর জন্য, কিছু শিখতে পেরেছি।

    Reply
    • অবশ্যই আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এই আর্টিকেলে টাকা ইনকাম করার যে উপায় গুলো বলা হয়েছে, তা অনুসরণ করুণ।

      Reply

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *